লক্ষীছড়ি জোনের আয়োজনে সম্প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত, ক্রীড়া সংস্থার জয়

শেয়ার করুন

লক্ষীছড়ি প্রতিনিধি: খেলাধুলার মাধ্যমে পারস্পরিক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে লক্ষীছড়ি জোনের আয়োজনে উপজেলাক্রীড়া সংস্থা বনাম সম্প্রীতি একাদশের মধ্যকার প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার  বিকেলে লক্ষীছড়ি উপজেলা পরিষদ মাঠ চত্বরে অনুষ্ঠিত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এ খেলায় লক্ষীছড়ি ক্রীড়া সংস্থা ১-০ গোলে সম্প্রীতি একাদশকে পরাজিত করে।খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো: আনোয়ার সাদাত প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ খেলার উদ্বোধন করেন। লক্ষীছড়ি জোন কমান্ডার লে; কর্ণেল খাঁন সজিবুল ইসলাম খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ন ট্রপি বিতরণ করেন। এসময় লক্ষীছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: রিফাতুল ইসলাম, লক্ষীছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো: ফোরকান হাওলাদার সহ প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ, ক্রীড়া সংগঠক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

খেলার শুরু থেকেই উভয় দল আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। মাঠে দুই দলের খেলোয়াড়দের নৈপুণ্য, আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। গোল শুন্যকতই প্রথশার্ধের খেলা শেষ হয়। দ্বিতীয়ার্ধের ১০ মিনিটের মাথায় ক্রীড়া সংস্থার ১০ নম্বর জার্সি পরিহিত খেলোয়ার নাইম একমাত্র জয়সূচক গোল করে দলকে এগিয়ে রাখে। শেষ পর্যন্ত লক্ষীছড়ি ক্রীড়া সংস্থার করা একমাত্র গোলই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে। সেরা গোল রক্ষক নির্বাচিত হন ক্রীড়া সংস্থার গোল রক্ষক রাসেল।

এ সময় মাঠজুড়ে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। দর্শকরা করতালি ও উচ্ছ্বাসের মাধ্যমে দুই দলের খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করেন।

আয়োজকরা জানান, খেলাধুলা তরুণদের সুস্থ ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি সমাজে পারস্পরিক বন্ধন, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে ক্রীড়াঙ্গনকে আরও প্রাণবন্ত করার পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।

খেলা শেষে দুই দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে অতিথিরা শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করা হয় এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।