গুইমারা বিজিবি হাসপাতালের ৩য় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

স্টাফ রিপোর্টার: বর্নাঢ্য আয়োজন, কেক কাটা, প্রীতি ভোজ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সহ নানা আয়োজনে খাগড়াছড়ির গুইমারাতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) হাসপাতালে

গুইমারায় শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস পালন
শিশু কিপন চাকমার অপারেশনে অর্থ সহায়তা দীঘিনালা সেনা জোনের
পানছড়ি সাবজোন কর্তৃক কম্পিউটার কোর্সের সনদপত্র বিতরন

স্টাফ রিপোর্টার: বর্নাঢ্য আয়োজন, কেক কাটা, প্রীতি ভোজ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সহ নানা আয়োজনে খাগড়াছড়ির গুইমারাতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) হাসপাতালের ৩য় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে। বিজিবি হসপিটাল গুইমারার জন্মদিন ও বিজিবি দিবস উপলক্ষে খাগড়াছড়ি’র গুইমারা বিজিবি সেক্টর সদর দপ্তর ও বিজিবি হাসপাতালে ছিলো সাজ সাজ রব। ২০ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে সেক্টর সদর দপ্তরের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে প্রীতিভোজ ও ৩য় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কেক কেটে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী কর্মসুচী উদ্ধোধন করেন ৪০বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ(বিজিবি) পলাশপুর জোন অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ মিরাজুল ইসলাম।

গুইমারা বিজিবি হাসপাতালের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল হোসাইন সাদেক বিন সাইদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গুইমারা বিজিবি সেক্টরের জিএসওটু মেজর হামিদুর রহমান, ১৪ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারী সিন্দুকছড়ি জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর তৌহিদ, গুইমারা রিজিয়নের ডিকিউ মেজর নাফিদাত হোসাইন, বিজিবি হাসপাতালের ডাক্তার মেজর মোঃ মাহবুবুর রহমান, মেজর মনোয়ার মোর্শেদ, মেজর আসমাউল হুসনা, মেজর ফাতেমা মনি, সিএমএইচ দিঘিনালার ডাক্তার ক্যাপ্টেন মাহবুবুল হাসান। এছাড়াও অনুষ্ঠানে গুইমারা থানার অফিসার ইনচার্জ(তদন্ত) সফিকুল ইসলাম, পদস্থ সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় সংবাদকর্মীরা। কেক কাটা সহ বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতার পরে আমন্ত্রিত অতিথিদের নিয়ে প্রীতিভোজে অংশগ্রহন করেন প্রধান অতিথি।

এর আগে প্রতিষ্ঠান বার্ষিকী উপলক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন গুইমারা বিজিবি হাসপাতালের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল হোসাইন সাদেক বিন সাইদ এবং দেশ ও জাতির বৃহত্তর কল্যান কামনায় বিশেষ মুনাজাতে অংশগ্রহণ করেন তিনি।

উল্লেখ্য, ২০১৫সালের এই দিনে ভিডিও কনফারেন্স’র মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গুইমারা বিজিবি হাসপাতালের আনুষ্ঠানিক উদ্ধোধন করেন। বিজিবি পূর্নগঠনের অংশ হিসেবে হাসপাতালটি স্থাপিত হওয়ার পর বিজিবি, সেনাবাহিনীর সদস্য, পরিবারবর্গ ছাড়াও দূর্ঘটনাজনিত রোগী, সার্জারি, গাইনি, শিশু, ডেন্টাল, ফিজিওথেরাপী, চক্ষু রোগীসহ, শতভাগ জরুরী বিভাগের সেবা সহ এলাকার সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবা প্রদান করে যাচ্ছে।