চট্টগ্রাম সংবাদফটিকছড়িশিরোনামস্লাইড নিউজ

ফটিকছড়িতে নৌকা-আপেল সমর্থক দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ৭

ফটিকছড়ি প্রতিনিধি: ফটিকছড়িতে নৌকা ও আপেল সমর্থক দুই গ্রুপের সংঘর্ষে অন্তত ৭জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছে। তৎমধ্যে ৫জন গুলিবৃদ্ধ হয়েছে। সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার নানুপুর বাজারে এঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত সাড়ে ৮ টার দিকে মহাজোটের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী ও আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী অপেল প্রতীকের এটিএম পেয়ারল ইসলাম সমর্থকদের মাঝে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে আব্দুল কুদ্দুস (৫০), কাকন (২৭), সৈয়দ সৌরভ হোসেন (২৫), সৈয়দ এমদাদ হোসেন (৫৬), রাসেদ আলম (২৫), আজম (২৬) গুলিবৃদ্ধ হয় বলে দাবী করেন নজিবুল বশর সমর্থিত যুবলীগ নেতা মোরশেদুল আলম।
অপর দিকে সফিউল আজম (৪৫), আবদুল করিম (৩২) নামে দুইজন আহত হয়েছে বলে দাবী করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী এটিএম পেয়ারুল ইসলাম সমর্থক আওয়ামীলীগ নেতা এমিল চৌধুরী।
ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সূত্র জানায়, আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা আরো জানায়, দুই পক্ষের গোলাগুলি সংঘর্ষও ফলে ব্যবসায়ীরা দোকান পাঠ ফেলে দিক বিদিক ছুটতে থাকে। এলাকায় চরম আতংক ছড়িয়ে পড়ে। পওে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে।
গুলিবিদ্ধ যুবলীগ নেতা আব্দুল কুদ্দুস মুঠোফোনে অভিযোগ করে বলেন, আমরা নাজিরহাটে নৌকার সমর্থনে সংবাদ সম্মেলন শেষে নানুপুর বাজারে এসে মিছিল করছিলাম। আমাদের মিছিলে বাঁধা দিয়ে হঠাৎ অতর্কিতভাবে আমাদের উদ্দেশ্য করে গুলি করে এক আওয়ামীলীগ নেতার অনুসারীরা। এতে আমরা গুলিবিদ্ধ হই।
পাল্টা অভিযোগ উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দীন মুহুরী বলেন, ‘আমরা কারো উপর আক্রমন করিনি। উল্টো আমাদের আওয়ামীলীগনেতা মাহমুদুল হককে হুমকী-দমকীর প্রতিবাদ মিছিল করে আমরা নানুপুর বাজারে গণসংযোগ করছিলাম। এসময় একদল দূর্বৃত্ত আমাদের উপর হামলা করে। আমাদের দুইজন নেতা আহত হয়েছে। আমার গাড়ি ভাংচুর করেছে।
ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. বাবুল আকতার বলেন, নানুপুর বাজারে দুই গ্রুপে সংঘর্ষ হওয়ার খবর পেয়েছি। বেশ কজন আহত হয়েছে। তাদের চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এলাকায় পুলিশ পাঠানো হয়েছে।