লক্ষ্মীছড়ি সংগীত বিদ্যালয়ে সাউন্ড সিস্টেম সামগ্রী প্রদান

শেয়ার করুন

স্টাফ রিপোর্টার: পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকায় সাংস্কৃতিক চর্চা ও স্থানীয় প্রতিভা বিকাশের লক্ষে ৪ এপ্রিল শনিবার ১১ টার দিকে গুইমারা রিজিয়নের অধীনস্থ লক্ষীছড়ি জোন কর্তৃক লক্ষ্মীছড়ি সংগীত বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের সংগীত চর্চার সহায়ক হিসেবে সাউন্ড সিস্টেম সামগ্রী প্রদান করা হয়। এই উপলক্ষে লক্ষীছড়ি উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন লক্ষীছড়ি সংগীত বিদ্যালয়ে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লক্ষীছড়ি জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্ণেল মোঃ তাজুল ইসলাম, পিএসসি, জি। এছাড়াও লক্ষীছড়ি জোনের সেনা অফিসারগণ, লক্ষীছড়ি সংগীত বিদ্যালয়ের সভাপতি মো. মোবারক হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক, কার্যনির্বাহী কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ, শিক্ষার্থী ও অবিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লক্ষীছড়ি সেনা জোন পূর্বেও এ প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। আজকের অনুষ্ঠানের মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা উপভোগ শেষে জোন কমান্ডার মহোদয় বলেন, সংগীত শুধু বিনোদনের অংশ নয়, এটি আমাদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং মানবিক বিকাশে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সংগীত চর্চার মাধ্যমে আমাদের মানবিক ও মানসিক বিকাশ প্রতিফলিত হয়। মাদকাসক্তি, জুয়া ইত্যাদি সহ সমাজে যেসকল কু-প্রবৃত্তি প্রচলিত আছে এগুলো থেকে দূরে থাকতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। আমি আশা করি প্রদানকৃত সাউন্ড সিস্টেমটি অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে এবং লক্ষীছড়ি সংগীত বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের চর্চা অব্যহত রেখে তাদের প্রতিভা নিয়ে দেশ ও বিদেশে ছড়িয়ে পড়বে। এই প্রতিষ্ঠান থেকে পথচলা শুরু করে ইতোমধ্যে যারা জাতীয় পর্যায়ে অবদান রেখেছে তাদেরকে আমি সাধবাদ জানাই। লক্ষীছড়ির সংস্কৃতি ও সংগীত প্রতিভাকে আরও বিকশিত করার লক্ষে আমাদের সকলের প্রচেষ্ঠা অব্যহত থাকবে।

এই সহায়তার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির সাংস্কৃতিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং স্থানীয় পাহাড়ি ও বাঙালি ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতিভা বিকাশে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।