চাকরি প্রলোভনে পাহাড়ি নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে আটক ১

শেয়ার করুন

পাহাড়ের আলো: গার্মেন্টসে চাকরির কথা বলে চট্টগ্রামে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ; গুইমারায় স্থানীয়দের হাতে ধরা পড়ার পর পুলিশে সোপর্দ

খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলায় এক পাহাড়ি নারীকে চাকরি দেওয়ার প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক পাহাড়ি যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর গণধোলাই থেকে অভিযুক্তকে উদ্ধার করে পুলিশে সোপর্দ করেছে সেনাবাহিনী। গত মঙ্গলবার (১৬ জুন) খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার হাফছড়ি ইউনিয়নের কুকিছড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ও ক্যাম্প সূত্রে জানা যায়, হাফছড়ি ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের পশ্চিম কুকিছড়া গ্রামের বাসিন্দা উসাইন্দা মারমা (৩৫) নামের এক ডিভোর্সি (বিচ্ছেদপ্রাপ্ত) নারীকে গার্মেন্টসে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখায় বরইতলি গ্রামের ম্রাসা মারমা (৩৮)। গত ১৬ জুন চাকরির কথা বলে ওই নারীকে চট্টগ্রামে নিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।

পরবর্তীতে বিষয়টি জানাজানি হলে কুকিছড়া এলাকায় স্থানীয় উপজাতি গ্রামবাসী অভিযুক্ত ম্রাসা মারমাকে আটকে রাখে। এ সময় স্থানীয় ধর্মগুরু (ভান্তে) আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে অভিযুক্তকে মারধর করেন । ঘটনা দেখে স্থানীয় উত্তেজিত এলাকাবাসী অভিযুক্তকে গণধোলাই দেওয়ার চেষ্টা চালায়।

খবর পেয়ে সিন্দুকছড়ি সেনা জোনের আওতাধীন জালিয়াপাড়া আর্মি ক্যাম্পের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ক্যাপ্টেন মুহতাসিম আলভী রাইম-এর নেতৃত্বে সেনাসদস্যরা উত্তেজিত জনতার হাত থেকে অভিযুক্ত ম্রাসা মারমাকে উদ্ধার করেন। পরে দুপুর ১২:১০ ঘটিকায় তাকে গুইমারা থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়।

গুইমারা থানা সূত্রে জানা গেছে, আটককৃত ম্রাসা মারমার বিরুদ্ধে থানায় আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় বর্তমানে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রয়েছে।