সূত্র আরো জানায়, দুল্যাতলী ইউনিয়নের “ওয়াইল্ডলাইফ কনজারভেশন অ্যান্ড রেসকিউ টিম” (বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও উদ্ধারকারী দল)-এর চেয়ারম্যান ও সভাপতি ত্রিলন চাকমা-র নেতৃত্বে দুুরছড়ি থেকে একটি ভল্লুকের বাচ্চারসন্ধান পায়।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা ডা. মো. শফিউল ইসলামের মতে প্রকৃতির অপরুপে সজ্জিত আমাদের এই বাংলাদেশ রয়েছে হাজার বছরের ঐতিহ্য, তারই মাঝে আমাদের পার্বত্য চট্টগ্রামে রয়েছে সুবিশাল সৌন্দর্যের লীলাভূমি যেখানে পাহাড়েরর কোল ঘেষে রয়েছে বৃষ্টি দেখার সৌন্দর্য এবং প্রকৃতির সাথে মিশে যাওয়ার এক অকৃত্রিম মাধ্যম। মাঝে মাঝে সুবিশাল টীলা তার মাঝে দাড়িয়ে আছে সুবিশাল বৃক্ষরাজী আর পাখির কলকাকলি সৃষ্টিকর্তা মনে হয় নিজ হাতে সাজিয়েছে এই নয়নাভিরাম দৃশ্য গুলো। সেই দৃশ্যের এক জ্বলন্ত বাষ্পপিন্ড হলো হঠাৎ ২নং দুল্যাতলী ইউনিয়নের ভাট্টোয়া পাড়াতে ভাল্লুকের আগমন, একজন পাহাড়ির সাথে কি সুন্দর বন্ধন দেখলে মনে হয় নিজ হাতে উনি পোষ মানিয়েছেন। কিন্তু বন্য প্রাণী এভাবে ধরে রাখার নিয়ম নাই(বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইন-১৯৯৭ অনুযায়ী )। তাই স্থানীয় জন প্রতিনিধির মাধ্যমে বন বিভাগের সহয়তায় উদ্ধার করে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। ভল্লুকের শারীরিক পরীক্ষার জন্য উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরে প্রেরণ করা হয়।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা(ভা: প্রা:) ও ভেটেরিনারি সার্জন ডা : মো: শফিউল ইসলাম আরো জানান, ভাল্লুক টি আপতত সুস্থ আছে পাশাপাশি কিছু প্রয়োজনীয় ঔষধ সরবরাহ করা সহ কিছু দিকনির্দেশনা দিয়েছেন বন বিভাগের কর্মকর্তা কে। তিনি আরো জানান ভাল্লুক টি কে আমরা বন বিভাগের সহয়তায় চট্টগ্রামের ডুলাহাজরা সাফারী পার্কে প্রেরণ করার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছি, আজকেই প্রেরণ করা হবে। তিনি আরো জানান প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় সকল প্রাণির গুরুত্ব অপরিসীম এবং সবাইকে আহবান জানান বন্য প্রাণির আবাসস্থল রক্ষার পাশাপাশি সবাইকে কে সচেতন থাকতে হবে আমরা যেনো বন্য প্রাণীর কোনো ক্ষতি না করি। এই সময় উপস্থিত ছিলেন বন বিভাগের কর্মচারী ও অন্যান্যরা ।