মানিকছড়ি প্রতিনিধি: পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ছয় মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশু এবং তাদের পরিবারের পুষ্টিগত অবস্থা, স্বাস্থ্যগত সহনশীলতা ও সামগ্রিক কল্যাণ উন্নয়নের লক্ষ্যে “Access to and Utilization of Lifesaving Services by Marginalized Communities in Chittagong Hill Tracts in Bangladesh” শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় উপজেলা পর্যায়ের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনালের সহযোগিতায় এবং জাবারাং কল্যাণ সমিতির আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আফরোজ ভুঁইয়া।
বক্তব্যে ইউএনও বলেন, ‘উন্নয়ন কার্যক্রমের সফল বাস্তবায়নে সরকারি দপ্তর, বেসরকারি সংস্থা ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত তথ্য আদান-প্রদান ও পারস্পরিক সহযোগিতা নিশ্চিত করা গেলে সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত হবে এবং প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে দ্রুত সেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে’।
তিনি আরও বলেন, ‘পার্বত্য অঞ্চলের দুর্গম এলাকার মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও উন্নয়ন সংস্থাগুলোর অংশীদারিত্ব জোরদার হলে টেকসই উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে’।
সভার শুরুতে জাবারাং কল্যান সমিতির উপজেলা কো-অর্ডিনেটর উসুইহলা মারমা পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনায় প্রকল্পের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, কার্যক্রম ও বাস্তবায়ন কৌশল ও প্রত্যাশিত ফলাফল সম্পর্কে ধারণা দেন।
সভায় অংশ নেওয়া সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও উন্নয়নকর্মীরা প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত MUAC স্ক্রিনিং, তথ্য সংগ্রহ প্রক্রিয়া এবং দুর্গম এলাকায় কার্যক্রম বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে মতামত দেন। তাঁরা কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানোর পরামর্শ দেন।
অনুষ্ঠানে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জিনাত আলম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জহির রায়হান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিব ও মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কামরুল আলমসহ সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধি, হেডম্যান, কার্বারি এবং কমিউনিটি ক্লিনিকের স্বাস্থ্যকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।