রতন বৈষ্ণব ত্রিপুরা, রামগড়: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী বুধবার (০২ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শনকালে তিনি চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার সীমান্তবর্তী রহমতপুর এলাকায় রামগড় ব্যাটালিয়ন (৪৩ বিজিবি)-এর অধীনস্থ নবনির্মিত ‘রহমতপুর বিওপি’ শুভ উদ্বোধন করেন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, ১৭৯৫ সালে রামগড় এলাকায় ৪৪৮ জন সৈনিক নিয়ে তৎকালীন “রামগড় লোকাল ব্যাটালিয়ন” গঠিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় বর্তমানের বিজিবি সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছে। সীমান্ত সুরক্ষা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, মানবপাচার রোধ এবং মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সবসময় তৎপর রয়েছে। এই ধারাবাহিকতায় সীমান্ত নিরাপত্তা আরও সুদৃঢ় করতে নবনির্মিত রহমতপুর বিওপিটির যাত্রা শুরু হলো।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সোহেল আহমেদ, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন), অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন ও প্রশিক্ষণ),গুইমারা সেক্টর কমান্ডার, রামগড় ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক, বিজিবির অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিজিবি মহাপরিচালক দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এবং সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবি সদস্যদের সর্বদা সজাগ থাকার আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির ফলে বিজিবি সদস্যরা আরও বেশি উৎসাহ ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।
বিশেষ করে ফটিকছড়ির দুর্গম সীমান্তে মাদক পাচার রোধ এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ বন্ধে এই রহমতপুর বিওপি অত্যন্ত অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি উপজেলার রহমতপুর বিওপি চালুর ফলে উক্ত অঞ্চলের সীমান্ত অপরাধ ও চোরাচালান প্রতিরোধ রামগড় ব্যাটালিয়নের (৪৩ বিজিবি) জন্য আরও সহজ হবে। একই সঙ্গে অবৈধ অস্ত্র ও মাদক পাচার রোধে এই পোস্টটি বড় ধরনের ভূমিকা রাখবে এবং সার্বিকভাবে বিজিবির আভিযানিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে।